ক্রিপ্টো শব্দকোষ: বিটকয়েন ও ব্লকচেইনের শব্দের সহজ মানে

63টি ক্রিপ্টো শব্দের সহজ বাংলা ব্যাখ্যা: ব্লকচেইন, ওয়ালেট, সাতোশি, হালভিং, সিড ফ্রেজ, স্টেবলকয়েন ও আরও অনেক।

অল্টকয়েন (Altcoin)
বিটকয়েন ছাড়া অন্য যেকোনো ক্রিপ্টোকারেন্সি, যেমন ইথার, সোলানা বা এক্সআরপি।
অস্থিরতা (ভোলাটিলিটি) (Volatility)
দাম কত দ্রুত ও কতটা ওঠানামা করে তার মাপ। ক্রিপ্টো বিশ্বের সবচেয়ে অস্থির সম্পদগুলোর একটি।
ইউএসডিটি (টেথার) (USDT (Tether))
সবচেয়ে বড় স্টেবলকয়েন, যার লক্ষ্য ১ ডলারের সমান থাকা। টেথার নামের একটি বেসরকারি কোম্পানি এটি দেয়। বাংলাদেশে ইউএসডিটির নামে প্রতারণা খুব সাধারণ।
ইটিএফ (ETF) (ETF)
শেয়ারবাজারে কেনাবেচা হওয়া একটি তহবিল, যা কোনো সম্পদের দাম অনুসরণ করে। যুক্তরাষ্ট্রে ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে স্পট বিটকয়েন ইটিএফ অনুমোদন পায়।
ইথেরিয়াম (Ethereum)
একটি প্রোগ্রামযোগ্য ব্লকচেইন, যেখানে স্মার্ট কন্ট্র্যাক্ট চলে। এর মুদ্রা ইথার (ETH)। বাজারমূল্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্রিপ্টো।
এনএফটি (NFT) (NFT)
ব্লকচেইনে রাখা একটি অনন্য ডিজিটাল টোকেন, যা সাধারণত কোনো ছবি বা ডিজিটাল জিনিসের মালিকানার রেকর্ড হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
এমএলএম (MLM)
যে কাঠামোতে নতুন সদস্য আনলে কমিশন পাওয়া যায়। ক্রিপ্টোর নামে চলা পঞ্জি স্কিম প্রায়ই এমএলএম কাঠামোয় ছড়ায়।
এয়ারড্রপ (Airdrop)
প্রচারের জন্য বিনামূল্যে টোকেন বিতরণ। "ফ্রি টোকেন ক্লেইম করুন" ধরনের ভুয়া এয়ারড্রপ দিয়ে প্রায়ই ওয়ালেট খালি করা হয়।
ওয়ালেট ঠিকানা (Public address)
ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বরের মতো একটি ঠিকানা, যেখানে অন্যরা কয়েন পাঠাতে পারে। এটি দিয়ে কয়েন তোলা যায় না, তবে ঠিকানার লেনদেন ইতিহাস প্রকাশ্যে দেখা যায়।
কাস্টোডিয়াল ওয়ালেট (Custodial wallet)
যে ওয়ালেটের চাবি কোনো প্রতিষ্ঠান (সাধারণত এক্সচেঞ্জ) রাখে। প্রতিষ্ঠান দেউলিয়া, হ্যাক বা অ্যাকাউন্ট বন্ধ করলে কয়েন আটকে যায়।
কেওয়াইসি (KYC) (KYC)
"নো ইওর কাস্টমার": আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহক-পরিচয় যাচাই। প্রতারকরা ভুয়া "কেওয়াইসি আপডেট"-এর নামে এনআইডি ও ছবি সংগ্রহ করে।
কেন্দ্রীভূত এক্সচেঞ্জ (CEX) (Centralised exchange (CEX))
একটি কোম্পানির পরিচালিত এক্সচেঞ্জ, যা গ্রাহকের কয়েন নিজের কাছে রাখে।
কোল্ড ওয়ালেট (Cold wallet)
যে ওয়ালেটের চাবি ইন্টারনেট থেকে বিচ্ছিন্ন থাকে, যেমন হার্ডওয়্যার ওয়ালেট বা কাগজে লেখা চাবি। হ্যাকের ঝুঁকি কম, কিন্তু হারানোর ঝুঁকি থাকে।
ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জ (Crypto exchange)
ক্রিপ্টো কেনাবেচার অনলাইন বাজার। বাংলাদেশে কোনো ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জ অনুমোদিত নয়।
ক্রিপ্টো ওয়ালেট (Crypto wallet)
যে অ্যাপ বা যন্ত্রে ক্রিপ্টো খরচ করার গোপন চাবি রাখা হয়। নাম ওয়ালেট হলেও কয়েন থাকে ব্লকচেইনে, ওয়ালেটে থাকে চাবি।
ক্রিপ্টোকারেন্সি (Cryptocurrency)
ব্লকচেইনে চলা ডিজিটাল মুদ্রা বা সম্পদ, যা ক্রিপ্টোগ্রাফি দিয়ে সুরক্ষিত। বিটকয়েন, ইথার, ইউএসডিটি এর উদাহরণ।
গ্যাস ফি (Gas fee)
ইথেরিয়ামসহ বিভিন্ন ব্লকচেইনে লেনদেন বা প্রোগ্রাম চালানোর ফি। নেটওয়ার্কে ভিড় বেশি থাকলে বাড়ে। প্রতারকরা প্রায়ই "গ্যাস ফি" পাঠাতে বলে টাকা নেয়।
টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (2FA) (Two-factor authentication (2FA))
পাসওয়ার্ডের পাশাপাশি দ্বিতীয় একটি যাচাই, যেমন ফোনের অ্যাপের কোড। কোডটি কাউকে বললে এই সুরক্ষা আর কাজ করে না।
টোকেন (Token)
অন্য কোনো ব্লকচেইনের ওপর তৈরি ডিজিটাল সম্পদ, যেমন ইথেরিয়ামের ওপর চলা ইউএসডিটি। নতুন টোকেন বানানো খুব সহজ, তাই ভুয়া টোকেনও প্রচুর।
ডিফাই (DeFi) (DeFi)
ব্যাংক বা মধ্যস্থতাকারী ছাড়া স্মার্ট কন্ট্র্যাক্টে চলা আর্থিক সেবা, যেমন ঋণ দেওয়া-নেওয়া ও টোকেন বদল। হ্যাক ও প্রতারণার ঝুঁকি বেশি।
তারল্য (Liquidity)
দাম খুব না নাড়িয়ে কত সহজে কোনো সম্পদ কেনা বা বেচা যায়। ছোট কয়েনে তারল্য কম, তাই বিক্রি করতে গেলে দাম ধসে যেতে পারে।
তিমি (হোয়েল) (Whale)
যার কাছে বিপুল পরিমাণ কোনো কয়েন আছে। তিমিরা বড় কেনাবেচা করে দাম নাড়াতে পারে, বিশেষ করে ছোট কয়েনে।
নোড (Node)
ব্লকচেইন নেটওয়ার্কে যুক্ত একটি কম্পিউটার, যা খাতার কপি রাখে এবং লেনদেন যাচাই করে।
পঞ্জি স্কিম (Ponzi scheme)
নতুন বিনিয়োগকারীদের টাকা দিয়ে পুরোনোদের "মুনাফা" দেওয়ার প্রতারণা, যা নতুন টাকা আসা থামলেই ধসে পড়ে। বাংলাদেশে এমটিএফই এর একটি উদাহরণ হিসেবে আলোচিত।
পাম্প অ্যান্ড ডাম্প (Pump and dump)
প্রচারণা দিয়ে কৃত্রিমভাবে দাম বাড়িয়ে (পাম্প) আয়োজকদের আগে কেনা কয়েন বিক্রি করে দেওয়া (ডাম্প)। পরে যাঁরা কেনেন, তাঁরাই ক্ষতিগ্রস্ত হন।
পি-টু-পি লেনদেন (P2P trading)
দুই ব্যক্তির সরাসরি ক্রিপ্টো কেনাবেচা, যেখানে টাকা এক্সচেঞ্জের বাইরে পাঠানো হয়। বাংলাদেশে ব্যাংক বা মোবাইল আর্থিক সেবা দিয়ে এটি নিষেধ, আর প্রতারণার ঝুঁকি বেশি।
পিগ বুচারিং (Pig butchering)
অনলাইনে বন্ধুত্ব বা প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ধীরে ধীরে ভুয়া ক্রিপ্টো প্ল্যাটফর্মে বিনিয়োগ করানোর প্রতারণা।
প্রাইভেট কি (Private key)
একটি লম্বা গোপন সংখ্যা, যা দিয়ে লেনদেনে সই করে কয়েন খরচ করা হয়। এটি যার কাছে, কয়েন কার্যত তার।
প্রুফ অব ওয়ার্ক (Proof of work)
যে পদ্ধতিতে মাইনাররা বিদ্যুৎ ও কম্পিউটার খরচ করে ধাঁধা মিলিয়ে নতুন ব্লক যোগের অধিকার পান। বিটকয়েন এই পদ্ধতিতে চলে।
প্রুফ অব স্টেক (Proof of stake)
যে পদ্ধতিতে কয়েন জামানত রাখা ব্যক্তিদের মধ্য থেকে নতুন ব্লকের যাচাইকারী বাছাই হয়। ইথেরিয়াম ২০২২ সাল থেকে এই পদ্ধতিতে চলে।
ফাড (FUD) (FUD)
"ফিয়ার, আনসার্টেইনটি, ডাউট": ভয় বা সন্দেহ ছড়ানো তথ্য। অনেক সময় যৌক্তিক সমালোচনাকেও "ফাড" বলে উড়িয়ে দেওয়া হয়, যা নিজেই একটি সতর্ক সংকেত।
ফিয়াট মুদ্রা (Fiat currency)
সরকারের ঘোষিত বৈধ মুদ্রা, যেমন টাকা বা ডলার। এর মূল্যের পেছনে থাকে রাষ্ট্র ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
ফিশিং (Phishing)
আসল প্রতিষ্ঠানের ছদ্মবেশে ভুয়া মেসেজ, ওয়েবসাইট বা অ্যাপ দিয়ে পাসওয়ার্ড, ওটিপি বা সিড ফ্রেজ হাতিয়ে নেওয়া।
ফোমো (FOMO) (FOMO)
"ফিয়ার অব মিসিং আউট": সুযোগ হারানোর ভয়ে তাড়াহুড়ো করে কেনা। প্রতারকরা এই আবেগকেই কাজে লাগায়।
বিকেন্দ্রীকরণ (Decentralisation)
নিয়ন্ত্রণ কোনো একক প্রতিষ্ঠানের হাতে না রেখে অনেকের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া। বিটকয়েনে কোনো কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠান নেই, তাই ভুল লেনদেন ফেরানোরও কেউ নেই।
বিকেন্দ্রীভূত এক্সচেঞ্জ (DEX) (Decentralised exchange (DEX))
স্মার্ট কন্ট্র্যাক্টে চলা এক্সচেঞ্জ, যেখানে কয়েন ব্যবহারকারীর নিজের ওয়ালেটে থাকে। কোডের ত্রুটি ও ভুয়া টোকেনের ঝুঁকি থাকে।
বিটকয়েন (Bitcoin)
প্রথম ক্রিপ্টোকারেন্সি, ২০০৯ সালে চালু। কোনো ব্যাংক বা সরকার এটি নিয়ন্ত্রণ করে না; মোট সরবরাহ ২ কোটি ১০ লাখে সীমাবদ্ধ। প্রতীক BTC।
বুল মার্কেট (Bull market)
দীর্ঘ সময় ধরে দাম বাড়তে থাকার বাজার। এ সময় প্রতারণামূলক প্রকল্পের প্রচারও সবচেয়ে বেশি হয়।
বেয়ার মার্কেট (Bear market)
দীর্ঘ সময় ধরে দাম কমতে থাকার বাজার। ক্রিপ্টোতে বেয়ার মার্কেটে ৭০-৮০% পতনও দেখা গেছে।
বৈধ মুদ্রা (লিগ্যাল টেন্ডার) (Legal tender)
যে মুদ্রায় দেনা পরিশোধ আইনত গ্রহণ করতে হয়। বাংলাদেশে টাকা বৈধ মুদ্রা; ক্রিপ্টোকারেন্সি নয়।
ব্লক (Block)
ব্লকচেইনের একটি পাতা, যেখানে কিছু সময়ের লেনদেন একসঙ্গে লেখা থাকে এবং আগের ব্লকের হ্যাশ যুক্ত থাকে।
ব্লক রিওয়ার্ড (Block reward)
নতুন ব্লক যোগ করার জন্য মাইনারকে দেওয়া নতুন বিটকয়েন। ২০২৪ সালের হালভিংয়ের পর এটি ৩.১২৫ BTC।
ব্লকচেইন (Blockchain)
অনেক কম্পিউটারে একসঙ্গে রাখা একটি ডিজিটাল হিসাবের খাতা, যেখানে লেনদেনগুলো ব্লকে সাজিয়ে শিকলের মতো যুক্ত করা হয়। একবার লেখা তথ্য বদলানো প্রায় অসম্ভব।
মাইনিং (Mining)
বিশেষ যন্ত্র দিয়ে কঠিন গাণিতিক কাজ করে বিটকয়েন নেটওয়ার্কে নতুন ব্লক যোগ করার প্রক্রিয়া। পুরস্কার হিসেবে নতুন বিটকয়েন পাওয়া যায়।
মার্কেট ক্যাপ (Market cap)
একটি কয়েনের বর্তমান দাম × বাজারে থাকা মোট কয়েন। বড় মার্কেট ক্যাপ মানেই নিরাপদ নয়, তবে ছোটগুলোর দাম নাড়ানো সহজ।
মিম কয়েন (Meme coin)
ইন্টারনেট মজা বা ট্রেন্ড থেকে জন্ম নেওয়া ক্রিপ্টো, যার বাস্তব ব্যবহার প্রায় নেই। দাম অত্যন্ত অস্থির, আর পাম্প-অ্যান্ড-ডাম্প খুব সাধারণ।
রাগ পুল (Rug pull)
নতুন টোকেন বা প্রকল্পের নির্মাতারা বিনিয়োগকারীদের টাকা নিয়ে হঠাৎ উধাও হয়ে যাওয়া, যাতে টোকেনটি মূল্যহীন হয়ে পড়ে।
লিকুইডেশন (Liquidation)
লেভারেজ নেওয়া ট্রেডারের ক্ষতি জামানতের সীমা ছাড়ালে এক্সচেঞ্জ জোর করে অবস্থানটি বিক্রি করে দেয়। একসঙ্গে অনেক লিকুইডেশন হলে দাম দ্রুত ধসে পড়ে।
লেনদেনের পরিমাণ (ভলিউম) (Trading volume)
নির্দিষ্ট সময়ে (সাধারণত ২৪ ঘণ্টায়) মোট কত মূল্যের কয়েন কেনাবেচা হয়েছে। ভুয়া এক্সচেঞ্জ প্রায়ই ভলিউম বাড়িয়ে দেখায়।
লেভারেজ (Leverage)
ধার করা অর্থে নিজের টাকার কয়েক গুণ বড় অবস্থান নেওয়া। লাভ ও ক্ষতি দুটোই বহুগুণ হয়, আর সামান্য উল্টো দামেই সব হারানো যায়।
লেয়ার ২ (Layer 2)
মূল ব্লকচেইনের ওপর তৈরি আলাদা নেটওয়ার্ক, যা লেনদেন দ্রুত ও সস্তা করে, যেমন বিটকয়েনের লাইটনিং নেটওয়ার্ক।
সর্বকালের সর্বোচ্চ (ATH) (All-time high (ATH))
কোনো কয়েনের ইতিহাসের সর্বোচ্চ দাম। সর্বোচ্চ দামের পরে বড় পতন ক্রিপ্টোতে বহুবার ঘটেছে।
সাতোশি (Satoshi)
বিটকয়েনের ক্ষুদ্রতম একক। ১ বিটকয়েন = ১০ কোটি সাতোশি, অর্থাৎ ১ সাতোশি = ০.০০০০০০০১ BTC। বিটকয়েনের স্রষ্টা সাতোশি নাকামোতোর নামে নামকরণ।
সিড ফ্রেজ (Seed phrase)
১২ বা ২৪টি শব্দের তালিকা, যা থেকে ওয়ালেটের সব গোপন চাবি আবার তৈরি করা যায়। এটি জানলে যে কেউ সব কয়েন নিয়ে নিতে পারে; কাউকে দেবেন না।
সিবিডিসি (CBDC) (CBDC)
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দেওয়া দেশের সরকারি মুদ্রার ডিজিটাল রূপ। এটি ক্রিপ্টোকারেন্সি নয়।
স্টেবলকয়েন (Stablecoin)
যে ক্রিপ্টোর দাম ডলারের মতো কোনো স্থির সম্পদের সমান রাখার চেষ্টা করা হয়। স্থিতিশীলতা নিশ্চিত নয়; এর পেছনের প্রতিষ্ঠান ও রিজার্ভের ঝুঁকি থাকে।
স্মার্ট কন্ট্র্যাক্ট (Smart contract)
ব্লকচেইনে চলা একটি প্রোগ্রাম, যা আগে থেকে লেখা নিয়ম অনুযায়ী নিজে নিজে কাজ করে। কোডে ভুল থাকলে বড় অঙ্কের অর্থ হারিয়ে যেতে পারে।
হট ওয়ালেট (Hot wallet)
ইন্টারনেটে যুক্ত ফোন বা কম্পিউটারের ওয়ালেট অ্যাপ। ব্যবহার সহজ, কিন্তু হ্যাক, ভুয়া অ্যাপ ও ফিশিংয়ের ঝুঁকি বেশি।
হার্ডওয়্যার ওয়ালেট (Hardware wallet)
ক্রিপ্টোর চাবি অফলাইনে রাখার জন্য তৈরি ছোট একটি যন্ত্র। কারো কাছ থেকে আগে থেকে "সেটআপ করা" যন্ত্র নিলে তা প্রতারণার ফাঁদ হতে পারে।
হালভিং (Halving)
প্রায় প্রতি চার বছরে (প্রতি ২,১০,০০০ ব্লকে) বিটকয়েন মাইনারদের পুরস্কার অর্ধেক হয়ে যাওয়া। শেষটি এপ্রিল ২০২৪-এ।
হোডল (HODL) (HODL)
দাম যা-ই হোক, বিক্রি না করে ধরে রাখা বোঝাতে ক্রিপ্টো জগতের প্রচলিত শব্দ। ২০১৩ সালের একটি অনলাইন পোস্টে "hold"-এর ভুল বানান থেকে জন্ম।
হ্যাশ (Hash)
যেকোনো তথ্য থেকে তৈরি একটি নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্যের ডিজিটাল "আঙুলের ছাপ"। তথ্য সামান্য বদলালেও হ্যাশ সম্পূর্ণ বদলে যায়।
৫১% আক্রমণ (51% attack)
কেউ নেটওয়ার্কের অর্ধেকের বেশি মাইনিং বা যাচাই-ক্ষমতা দখল করে লেনদেনের ইতিহাস বদলানোর চেষ্টা। বড় নেটওয়ার্কে এটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল, কিন্তু ছোট নেটওয়ার্কে ঘটেছে।