শুরুর পাঠ
এক্সআরপি (XRP) কী? রিপল, আন্তর্জাতিক পেমেন্ট ও বাস্তবতা
এক্সআরপি হলো XRP Ledger-এর মুদ্রা, যা দ্রুত ও কম খরচে আন্তর্জাতিক অর্থ স্থানান্তরের লক্ষ্যে তৈরি। রিপল কোম্পানির সঙ্গে এর সম্পর্ক, আইনি ইতিহাস আর রেমিট্যান্স নিয়ে ভুল ধারণাগুলো জানুন।
১ মিনিটে পড়া · সর্বশেষ যাচাই: ১৫ অক্টোবর ২০২৬
সংক্ষেপে
এক্সআরপি (XRP) হলো XRP Ledger নামের ব্লকচেইনের মুদ্রা, যা ২০১২ সালে চালু হয়। এর লক্ষ্য কয়েক সেকেন্ডে, খুব কম খরচে আন্তর্জাতিক অর্থ স্থানান্তর। রিপল নামের একটি মার্কিন কোম্পানি এর উন্নয়ন ও প্রচারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত এবং মোট এক্সআরপির বড় অংশের মালিক।
আইনি ইতিহাস
২০২০ সালে মার্কিন এসইসি রিপলের বিরুদ্ধে মামলা করে, অভিযোগ ছিল এক্সআরপি বিক্রি অনিবন্ধিত সিকিউরিটি বিক্রির শামিল। মামলার বিভিন্ন রায় ও খবরের সময় এক্সআরপির দাম ব্যাপক ওঠানামা করেছে। নিয়ন্ত্রক ঝুঁকি কোনো কয়েনের দামে কতটা প্রভাব ফেলতে পারে, এটি তার একটি উদাহরণ।
ভুল ধারণা: "ব্যাংকগুলো এক্সআরপি ব্যবহার করে"
রিপল বিভিন্ন ব্যাংক ও পেমেন্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করেছে, কিন্তু রিপলের সব সেবায় এক্সআরপি কয়েন ব্যবহার হয় না। "অমুক ব্যাংক যুক্ত হলে দাম বহুগুণ হবে" ধরনের প্রচারণা সাধারণত অতিরঞ্জিত।
বাংলাদেশে
- রেমিট্যান্স বা বৈদেশিক লেনদেনে ক্রিপ্টো ব্যবহার অনুমোদিত নয়। দেখুন প্রবাস থেকে ক্রিপ্টোতে টাকা পাঠানো।
- আজকের দাম টাকায়: এক্সআরপির দাম।
সাধারণ প্রশ্ন
এক্সআরপি দিয়ে কি বাংলাদেশে রেমিট্যান্স পাঠানো যায়?
সম্পর্কিত লেখা
ক্রিপ্টোকারেন্সি কী? বিটকয়েন ছাড়া আর কী আছে
ক্রিপ্টোকারেন্সি হলো ব্লকচেইনে চলা ডিজিটাল মুদ্রা বা টোকেন। বিটকয়েন, অল্টকয়েন, স্টেবলকয়েন ও মিম কয়েনের পার্থক্য…
ক্রিপ্টোর দাম এত ওঠানামা করে কেন?
বিটকয়েন এক বছরে অর্ধেক হয়ে যেতে পারে, আবার দ্বিগুণও হতে পারে। চাহিদা-জোগান, জল্পনা, ঋণ নিয়ে ট্রেডিং, খবর আর টাকার…
বাংলাদেশে ক্রিপ্টোর ঝুঁকি: আইনি, আর্থিক ও প্রতারণা
বাংলাদেশে ক্রিপ্টো লেনদেন অনুমোদিত নয়। তার ওপর প্রতারণা, দামের অস্থিরতা ও টাকা ফেরত না পাওয়ার ঝুঁকি আছে। কোন কোন…