পি-টু-পি ও অনানুষ্ঠানিক কেনাবেচায় প্রতারণা
টাকা নিয়ে ইউএসডিটি না দেওয়া, ভুয়া পেমেন্ট স্ক্রিনশট, অন্যের প্রতারণার টাকা আপনার অ্যাকাউন্টে পাঠানো: অনানুষ্ঠানিক ক্রিপ্টো কেনাবেচা প্রতারণা ও আইনি ঝুঁকিতে ভরা।
সর্বশেষ যাচাই: ১৫ অক্টোবর ২০২৬
লাল সংকেত
- বাজারদরের চেয়ে অস্বাভাবিক ভালো রেট
- "আগে আপনি টাকা পাঠান"
- পেমেন্টের প্রমাণ শুধু স্ক্রিনশট
- অচেনা তৃতীয় ব্যক্তির অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা আসা
সাধারণ কৌশল
- টাকা নিয়ে উধাও: বিকাশ-নগদে টাকা নেওয়ার পর বিক্রেতা আর যোগাযোগ করে না।
- ভুয়া স্ক্রিনশট: ক্রেতা নকল পেমেন্ট স্ক্রিনশট দেখিয়ে ক্রিপ্টো নিয়ে নেয়।
- ত্রিভুজ প্রতারণা: প্রতারক অন্য কোনো ভুক্তভোগীর টাকা আপনার অ্যাকাউন্টে পাঠায়। পরে সেই ভুক্তভোগী অভিযোগ করলে আপনার অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়, আর আপনি নিজেই তদন্তের মুখে পড়েন।
আইনি দিক
বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২২ সালের সার্কুলার অনুযায়ী ব্যাংক বা মোবাইল আর্থিক সেবা দিয়ে ভার্চুয়াল সম্পদ কেনাবেচা নিষেধ। এ ধরনের লেনদেনে প্রতারিত হলে প্রতিকার পাওয়াও কঠিন। দেখুন আইনি অবস্থা।