প্রশ্নোত্তর

পাই নেটওয়ার্ক (Pi Network) কি আসল? ফোনে "মাইনিং" করে কি আয় হয়?

সর্বশেষ যাচাই: ১৫ অক্টোবর ২০২৬

সংক্ষিপ্ত উত্তর

পাই নেটওয়ার্কের অ্যাপে প্রতিদিন বোতাম চাপাকে "মাইনিং" বলা হয়, কিন্তু এটি বিটকয়েনের মতো আসল মাইনিং নয়। এর টোকেন ২০২৫ সাল থেকে কিছু বিদেশি এক্সচেঞ্জে লেনদেন হচ্ছে; দাম অস্থির, আর বাংলাদেশে ক্রিপ্টো লেনদেন অনুমোদিত নয়।

বিস্তারিত উত্তর

পাই নেটওয়ার্ক কী: ২০১৯ সালে চালু হওয়া একটি মোবাইল অ্যাপভিত্তিক প্রকল্প, যেখানে ব্যবহারকারীরা প্রতিদিন অ্যাপ খুলে বোতাম চাপলে PI টোকেন জমা হয়। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে এর "ওপেন নেটওয়ার্ক" চালু হয় এবং কিছু আন্তর্জাতিক এক্সচেঞ্জে PI কেনাবেচা শুরু হয়। চালুর পর কয়েক দিনেই দাম অনেক ওঠানামা করে।

এটি আসল মাইনিং নয়: বিটকয়েন মাইনিংয়ে যন্ত্র ও বিদ্যুৎ খরচ করে নেটওয়ার্ক সুরক্ষিত করা হয়। পাই অ্যাপে বোতাম চাপায় তেমন কোনো কাজ হয় না; এটি মূলত টোকেন বিতরণের একটি পদ্ধতি। দেখুন মাইনিং কীভাবে কাজ করে।

বাংলাদেশে যে ঝুঁকিগুলো:

  • ক্রিপ্টো লেনদেন অনুমোদিত নয়, তাই PI টাকায় বিক্রি করাও একই আইনি ঝুঁকির মধ্যে পড়ে।
  • "PI কিনব/বেচব" বলে ফেসবুক গ্রুপে প্রতারণা খুব সাধারণ: টাকা নিয়ে উধাও হওয়া, ভুয়া ওয়ালেট বা "পাসফ্রেজ" চাওয়া। আপনার পাই ওয়ালেটের পাসফ্রেজ কাউকে দেবেন না; দেখুন সিড ফ্রেজ নিরাপত্তা।
  • কেওয়াইসির নামে জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবি চাওয়া ভুয়া সাইট থেকে সাবধান।

সূত্র: Trust Wallet ব্লগ, Benzinga।

সম্পর্কিত লেখা

প্রশ্ন করুন →