বিটকানেক্ট (BitConnect): "ট্রেডিং বট"-এর আড়ালে পঞ্জি
"ট্রেডিং বট" দিয়ে দৈনিক মুনাফার প্রতিশ্রুতি দেওয়া বিটকানেক্ট ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে ধসে পড়ে। মার্কিন প্রসিকিউটররা প্রতিষ্ঠাতার বিরুদ্ধে প্রায় ২৪০ কোটি ডলারের পঞ্জি স্কিম পরিচালনার অভিযোগ আনেন; তিনি পলাতক।
সর্বশেষ যাচাই: ১৫ অক্টোবর ২০২৬
- সময়কাল
- ২০১৬ – জানুয়ারি ২০১৮
- ক্ষতির পরিমাণ
- মার্কিন প্রসিকিউটরদের অভিযোগ অনুযায়ী প্রায় ২৪০ কোটি ডলার।
লাল সংকেত
- "ট্রেডিং বট" বা "ভোলাটিলিটি সফটওয়্যার" দিয়ে দৈনিক মুনাফা
- নিজস্ব টোকেনে বিনিয়োগ বাধ্যতামূলক
- বহুস্তর রেফারেল কমিশন
কীভাবে চলত
বিটকানেক্টের "লেন্ডিং প্রোগ্রামে" বিনিয়োগকারীরা টাকা দিতেন, আর তাঁদের বলা হতো একটি গোপন "ট্রেডিং বট" ও "ভোলাটিলিটি সফটওয়্যার" দিয়ে দৈনিক মুনাফা আসবে। মার্কিন প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, এসব সফটওয়্যার কোনো মুনাফা তৈরি করত না; আগের বিনিয়োগকারীদের টাকা দেওয়া হতো পরের বিনিয়োগকারীদের অর্থ থেকে।
আইনি পরিণতি
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি গ্র্যান্ড জুরি প্রতিষ্ঠাতা সতীশ কুম্ভানিকে অভিযুক্ত করে। বিচার বিভাগের তথ্য অনুযায়ী তিনি পলাতক। কোম্পানির শীর্ষ মার্কিন প্রচারক দোষ স্বীকার করে কারাদণ্ড পান।
শিক্ষা
"বট", "এআই" বা "অ্যালগরিদম" দিয়ে নিশ্চিত দৈনিক মুনাফার দাবি যাচাই করা যায় না, আর এটাই প্রতারকদের সুবিধা।
সূত্র
এই পাতার তথ্য উল্লেখিত সূত্রে প্রকাশিত অভিযোগ ও প্রতিবেদনের ভিত্তিতে; আদালতের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগগুলো প্রমাণিত নয়। কোনো তথ্যে ভুল থাকলে আমাদের জানান।