ওয়ানকয়েন (OneCoin): যে "ক্রিপ্টো"-র কোনো ব্লকচেইনই ছিল না
এমএলএম কাঠামোয় বিশ্বজুড়ে বিক্রি হওয়া ওয়ানকয়েন আসলে কোনো বাস্তব ব্লকচেইনে চলত না। সহ-প্রতিষ্ঠাতা যুক্তরাষ্ট্রে ২০ বছরের কারাদণ্ড পান; আরেক প্রতিষ্ঠাতা রুজা ইগনাতোভা পলাতক এবং এফবিআইয়ের শীর্ষ ১০ ওয়ান্টেড তালিকায় যুক্ত হন।
সর্বশেষ যাচাই: ১৫ অক্টোবর ২০২৬
- সময়কাল
- ২০১৪ – ২০১৭
- ক্ষতির পরিমাণ
- মার্কিন বিচার বিভাগের হিসাবে বিশ্বজুড়ে বিনিয়োগকারীরা ৪০০ কোটি ডলারের বেশি দিয়েছিলেন।
লাল সংকেত
- "শিক্ষা প্যাকেজ" কিনলে টোকেন বোনাস
- কয়েন কোনো উন্মুক্ত এক্সচেঞ্জে বেচা যেত না
- সদস্য আনলে কমিশন
- দাম কোম্পানি নিজে ঠিক করত
কীভাবে চলত
ওয়ানকয়েন নিজেকে "বিটকয়েনের প্রতিদ্বন্দ্বী" হিসেবে প্রচার করত। সদস্যরা "শিক্ষা প্যাকেজ" কিনতেন, যার সঙ্গে টোকেন দেওয়া হতো, আর নতুন সদস্য আনলে কমিশন পেতেন। মার্কিন প্রসিকিউটরদের মতে, এর পেছনে কোনো বাস্তব ব্লকচেইন ছিল না। কয়েনের "দাম" কোম্পানি নিজেই ঠিক করত, আর তা কোনো উন্মুক্ত বাজারে বিক্রি করা যেত না।
আইনি পরিণতি
সহ-প্রতিষ্ঠাতা কার্ল সেবাস্টিয়ান গ্রিনউড দোষ স্বীকার করেন এবং ২০২৩ সালে নিউইয়র্কের আদালত তাঁকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দেয়। আরেক প্রতিষ্ঠাতা রুজা ইগনাতোভা ২০১৭ সাল থেকে নিখোঁজ; ২০২২ সালে তাঁকে এফবিআইয়ের "টেন মোস্ট ওয়ান্টেড" তালিকায় যুক্ত করা হয়।
শিক্ষা
কোনো কয়েন যদি শুধু কোম্পানির নিজস্ব প্ল্যাটফর্মে "দেখা" যায় আর বাইরে বেচা না যায়, তবে সেটি আসল ক্রিপ্টো নয়।
সূত্র
এই পাতার তথ্য উল্লেখিত সূত্রে প্রকাশিত অভিযোগ ও প্রতিবেদনের ভিত্তিতে; আদালতের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগগুলো প্রমাণিত নয়। কোনো তথ্যে ভুল থাকলে আমাদের জানান।