হাইপারফান্ড (HyperFund/HyperVerse): "মাইনিং"-এর নামে পিরামিড
ক্রিপ্টো মাইনিং থেকে নিয়মিত আয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সদস্যপদ বিক্রি করা হাইপারফান্ডের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালে মার্কিন এসইসি ও বিচার বিভাগ মামলা করে। অভিযোগ অনুযায়ী বড় আকারের কোনো মাইনিংই হতো না।
সর্বশেষ যাচাই: ১৫ অক্টোবর ২০২৬
- সময়কাল
- ২০২০ – ২০২২
- ক্ষতির পরিমাণ
- মার্কিন এসইসির অভিযোগ অনুযায়ী বিশ্বজুড়ে ১৭০ কোটি ডলারের বেশি সংগ্রহ।
লাল সংকেত
- "মাইনিং থেকে প্রতিদিন ০.৫-১% আয়"
- সদস্যপদ কিনে নির্দিষ্ট সময়ে দ্বিগুণ-তিনগুণ ফেরতের প্রতিশ্রুতি
- নাম ও ব্র্যান্ড বারবার বদলানো
কীভাবে চলত
হাইপারফান্ড (পরে হাইপারভার্স ও অন্যান্য নামে) সদস্যপদ বিক্রি করত এবং বলত, ক্রিপ্টো মাইনিং থেকে প্রতিদিন নির্দিষ্ট হারে আয় আসবে। মার্কিন এসইসির অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানটি বড় আকারে কোনো ক্রিপ্টো মাইনিং করত না, আর এটি ছিল বহুস্তর বিপণনভিত্তিক পিরামিড ও পঞ্জি স্কিম।
আইনি পরিণতি
২০২৪ সালের জানুয়ারিতে এসইসি প্রতিষ্ঠাতা ও একজন শীর্ষ প্রচারকের বিরুদ্ধে মামলা করে। মার্কিন বিচার বিভাগও প্রতিষ্ঠাতাসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ আনে, আর এর মধ্যে একজন দণ্ডিত হয়েছেন।
শিক্ষা
"মাইনিং থেকে নিশ্চিত দৈনিক আয়" যাচাই করার কোনো উপায় সাধারণ বিনিয়োগকারীর নেই। দেখুন বিটকয়েন মাইনিং কীভাবে কাজ করে।
সূত্র
এই পাতার তথ্য উল্লেখিত সূত্রে প্রকাশিত অভিযোগ ও প্রতিবেদনের ভিত্তিতে; আদালতের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগগুলো প্রমাণিত নয়। কোনো তথ্যে ভুল থাকলে আমাদের জানান।