এমটিএফই (MTFE): ক্রিপ্টো "ট্রেডিং" পঞ্জি স্কিম
নিয়মিত মুনাফার প্রতিশ্রুতি দেওয়া এই অনলাইন "ট্রেডিং" প্ল্যাটফর্ম ২০২২ সাল থেকে বাংলাদেশে সক্রিয় ছিল এবং ২০২৩ সালের আগস্টে হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। তদন্তে অ্যাপে দেখানো লেনদেন সাজানো বলে জানা গেছে।
সর্বশেষ যাচাই: ১৫ অক্টোবর ২০২৬
- সময়কাল
- জুন ২০২২ – আগস্ট ২০২৩
- ক্ষতির পরিমাণ
- নির্ভরযোগ্য মোট হিসাব নেই; সংবাদমাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকার অনুমান প্রকাশিত হয়েছে। সিআইডি বিদেশি এক্সচেঞ্জ থেকে প্রায় ৩৬ লাখ ইউএসডিটি উদ্ধারের কথা জানিয়েছে।
লাল সংকেত
- নিয়মিত ও নির্দিষ্ট মুনাফার প্রতিশ্রুতি
- সদস্য আনলে রেফারেল কমিশন
- অ্যাপে শুধু "ডলার ব্যালেন্স", আসল ট্রেডিংয়ের প্রমাণ নেই
- ফেসবুক-ইউটিউবে ব্যাপক প্রচারণা
- বাংলাদেশে কোনো অনুমোদন নেই
কী ঘটেছিল
সিআইডির তথ্য অনুযায়ী এমটিএফই ২০২২ সালের জুনে বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করে। ফেসবুক ও ইউটিউবে বিজ্ঞাপন এবং সদস্যদের ব্যক্তিগত প্রচারের মাধ্যমে বিনিয়োগকারী টানা হয়। শুরুতে কিছু টাকা ফেরত দিয়ে আস্থা তৈরি করা হয়। বিনিয়োগকারীরা তাঁদের অ্যাপে ভার্চুয়াল "ডলার" ব্যালেন্স দেখতেন, কিন্তু তদন্তে জানা যায় এসব ট্রেডিং ছিল সম্পূর্ণ কাল্পনিক।
২০২৩ সালের আগস্টের মাঝামাঝি প্ল্যাটফর্মটি হঠাৎ কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। বহুস্তর বিপণন কার্যক্রম (নিয়ন্ত্রণ) আইন ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয় এবং সিআইডি তদন্ত করে।
অর্থ উদ্ধার
২০২৬ সালের মার্চে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী সিআইডি একটি আন্তর্জাতিক এক্সচেঞ্জে থাকা প্রায় ৩৬ লাখ ইউএসডিটি শনাক্ত করে দেশে ফিরিয়ে আনে। আদালতের নির্দেশনায় যাচাইয়ের পর এই অর্থ ভুক্তভোগীদের মধ্যে বণ্টনের কথা। প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রধান অভিযুক্ত তখনো বিদেশে অবস্থান করছিলেন।
শিক্ষা
এমটিএফইর কাঠামো ছিল প্রচলিত পঞ্জি ও এমএলএম স্কিমের মতোই। বিস্তারিত বিশ্লেষণ পড়ুন: এমটিএফই থেকে শিক্ষা।
সূত্র
এই পাতার তথ্য উল্লেখিত সূত্রে প্রকাশিত অভিযোগ ও প্রতিবেদনের ভিত্তিতে; আদালতের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগগুলো প্রমাণিত নয়। কোনো তথ্যে ভুল থাকলে আমাদের জানান।